ইয়েমেনে বিমান হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে এ হামলা চালায় দেশ দুটি। কাতার ভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আলজাজিরার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

শুক্রবারের এ হামলায় সরাসরি অংশ নেয় দেশ দুটির সেনাবাহিনী। হুতিদের লক্ষ্য করে রাজধানী সানার হুদাইদাহে হুতি লোহিত সাগর বন্দর, ধামার ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হামলার খবর পাওয়া গেছে।

তবে ইয়েমেনের রাজধানী সানায়ে বার্তা সংস্থা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সাংবাদিকরা চারটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনলেও যুদ্ধবিমানের কোনো চিহ্ন দেখতে পাননি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন, বিদেশি জাহাজ লক্ষ্য করে ইরান–সমর্থিত হুতিদের রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতাকে খর্ব করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে অস্টিন বলেন, হুতিদের মানুষবিহীন আকাশযান, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, উপকূলীয় রাডার এবং বিমান নজরদারি সক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত স্থানগুলো এই হামলার লক্ষ্যবস্তু।

অস্টিন আরও বলেছেন, নৌবাহিনীকে বিপদে ফেলতে এবং নৌপথে বিশ্ববাণিজ্যকে হুমকির মুখে ফেলতে হুতিদের সক্ষমতা খর্ব করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, কানাডা, ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘লোহিত সাগরে উত্তেজনা নিরসন ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করাই আমাদের লক্ষ্য। তবে আমরা এটাও স্পষ্ট করতে চাই যে আমরা জীবন রক্ষা করতে সবকিছু করব। ক্রমাগত হুমকির মুখে বিশ্বের অন্যতম বাণিজ্যপথে অবাধে বাণিজ্য বজায় রাখতে সবকিছু করব।’

এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ আরও ১০ দেশ দক্ষিণ লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে আবারও হামলা চালালে পরিণতি ভোগ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। গত মঙ্গলবার রাতে হুতিরা আবার হামলা চালায়।